বিসিসি’র পূনঃনির্বাচনে ১৪ নং ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্র নিয়েও ণীল নকশা প্রার্থীদের

0
39

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুননির্বাচনে বিসিসি’র ওয়ার্ড গুলোতে কোথাও নির্বাচনী আমেজ দেখা না গেলেও ব্যতিক্রম ১৪ নং ওয়ার্ডের প্রচানায়।চলতি বছরের ৩০ শে জুলাই অনুষ্ঠিত বিসিসি নির্বাচন চলাকালীন সময় বন্ধ হওয়া ১ নং ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্র সহ নির্বাচন পরবর্তী অভিযোগের ভিত্তিতে আরো ৮ টি কেন্দ্র সহ মোট ৯টি কেন্দ্রে ১৩ অক্টোবর পুনঃনির্বাচনের ঘোষনা দিয়ে বিজয়ী মেয়র ও নির্বাচিত অন্যান্য কাউন্সিলরদের নাম প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।এদিকে বিসিসি’র ১৪ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনি, খালেদা বাদ কলোনী সহ একটি মাত্র কেন্দ্রের পূনঃনির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসব মূখর পরিবেশ দেখা যাচ্ছে প্রচার প্রচারনায়।জানা গেছে, ৩০ জুলাই’র অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৪ নং ওয়ার্ডে চারটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এতে করে কাউন্সিলর প্রার্থী তৌহিদুর রহমান ছাবিদকে ঠেলাগাড়ি প্রতিকে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

আর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৫৫০ ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে থাকে জাকির হোসেন পলাশ। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রে পূনঃনির্বাচন দিলেও ছাবিদ ৬৬৭ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে প্রার্থী পলাশ একটি কেন্দ্রের পূনঃনির্বাচনে বাজিমাত দেখাতে পেশী শক্তির উপর ভর করে বিজয় ছিনিয়ে নিতে ণীল নকশা আঁকতে ব্যস্ত সময় পার করছে। জনপ্রিয়তা আর জনরায়ে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনের কৌশল হিসেবে ভোটারদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থীর সমালোচনায় মগ্ন থাকায় ভোটারদের কাছেই হাস্যকর ব্যক্তি হিসেবে ক্ষ্যাতী পেয়েছে।

তার নির্বাচনী প্রচারনার কায়দায় রীতিমতো হাস্যকর প্রলাপ বাক্য হিসেবে অভিমানী দেয় এলাকাবাসী।নাম না প্রকাশের শর্তে একাধীক ভোটার জানায়, গত ৩০ জুলাইয়ের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তারা পলাশের পক্ষে প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারনা সহ তার বিজয়ের লক্ষে কসজ করে। কিন্তু জনরায়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকায় পূনঃনির্বাচনে ভোট দিতেই না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে কেন ভাবেই ব্যবধান পূরণ হয়ে বিজয় সম্ভব নয় পলাশের। জেনে বুঝে এরপরেও যদি পুনরায় তার পক্ষে যাই সেটা হবে অকারনে উজান ঠেলারমত বিষয়। এমন কাজ নিশ্চই কেউ করবে না। কেউ কি করবে বলেও বিপরীতে প্রশ্ন ছুড়ে দেয় কয়েক ভোটাররা।১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদ প্রার্থী জাকির হোসেন পলাশের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। জনরায়ে এগিয়ে থাকা সাবেক ছাত্র নেতা কাউন্সিলর প্রার্থী তৌহিদুর রহমান ছাবিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পূনঃনির্বাচনের কেন্দ্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এগিয়ে ছিল।

বাকী তিনটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোট গ্রহনের ফলে তিনি এগিয়ে রয়েছে। ঐ কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার পেশী শক্তির প্রভাব বিস্তার ঘটিয়ে অনিয়ম করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন একটি কেন্দ্রে পূনঃনির্বাচন দিয়ে ভোট গ্রহনের ঘোষনা দেয়। অনিয়ম করে সঘোষিত বিজয় উল্লাসে মিছিলো করেছিল পলাশ। জনরায়কে সম্মতি জানিয়ে তিনি পরাজয় মেনে নিয়ে ছিল।১৪ নং ওয়ার্ডের তিন কেন্দ্রের জনরায়ে ৬৬৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

একটি কেন্দ্রের পূনঃনির্বাচনে ভোটাররা যাকে যোগ্য মনে করবে তাকে ভোট প্রদান করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিজয়ী করবে। জনসেবা যেখানে করতে এসেছি সেখানে জনরায়ের বিপরীতে যাওয়ার কোন ইচ্ছেই নেই।ছাত্র রাজনীতির শুরু থেকেই জনগনের কাতারে নিজেকে সামিল করে সেবা প্রদান করে আসছে। জনগনের কল্যানে ওয়ার্ড উন্নয়ন করার মধ্য দিয়ে জনগনের সেবক হয়েই চিরকাল থাকতে চাওয়ার আশা ব্যক্ত করে ছাবিদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

CAPTCHA