কীর্তনখোলায় মাস্টারের দক্ষতায় প্রাণে বাঁচলেন স্টিমারের ২২০ যাত্রী

0
175

বরিশাল :বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের রাজাপুর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে মাস্টারের দক্ষতায় প্রাণে বাঁচলেন স্টিমারের ২২০ যাত্রী।

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার নদীতে বালুবাহী একটি বাল্কহেডের সঙ্গে বিআইডব্লিউটিসির যাত্রীবাহী স্টিমার পিএস টার্নের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে স্টিমারের তলা ফেটে গেছে এবং বালুবাহী বাল্কহেডটি ডুবে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বরিশাল নৌ-বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বেল্লাল হোসেন জানান, বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসে বিআইডব্লিউটিসির যাত্রীবাহী স্টিমার পিএস টার্ন । বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে সন্ধ্যার পর পিএস টার্ন ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের রাজাপুর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদী অতিক্রমকালে স্টিমারটির সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি বাল্কহেডের সংঘর্ষ হয়। এতে বাল্কহেডটি তাৎক্ষণিক ডুবে যায়। তলা ফেটে যায় স্টিমার পিএস টার্নের। দুর্ঘটনার পরপরই ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে ২২০ জন যাত্রী নিয়ে স্টিমারটিকে নদী সংলগ্ন একটি চরে নিয়ে যায় এর মাস্টার। স্টিমারে ঢুকে যাওয়া পানি সেচের জন্য পাম্প বসানো হয়েছে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস আটকে পড়া

যাত্রীদের উদ্ধার করে সুন্দরবন-১২ নামে একটি লঞ্চে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ডুবে যাওয়া বালুবাহী বাল্কহেডটির চালক ও অন্য সদস্যরা সাঁতরে তীরে উঠেছেন।