বরিশাল বিভাগের সংসদীয় ২১ টি আসন : আ.লীগ-১৭টি ও জাপা-৪টিতে বিজয়ী

0
84

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল বিভাগের সংসদীয় ২১ টি আসনে আওয়ামীলীগের ১৮টি ও জাপা ৩টি আসনের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। এরমধ্যে পর্যাক্রমে বরিশাল-১ আসনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বিজয়ী, বরিশাল-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শাহে আলম, বরিশাল-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী পংকজ নাথ বিপুল ভোটে দ্বিতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত, বরিশাল-৫ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল-৬ আসনে জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রতনা, ঝালকাঠি-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএইচ হারুন, ঝালকাঠি-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আমির হোসেন আমু, ভোলা-১ সদর আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আসনে আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ আসনে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, পটুয়াখালী-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শাহজাহান, পটুয়াখালী-২ আসনে বিজয়ী আ.স.ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিজয়ে এস এম শাহাজাদা, পটুয়াখালী-৪ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী মুহিব, পিরেজপুর-১ আসনে বিজয়ী শ. ম. রেজাউল করিম, পিরেজপুর-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী মঞ্জু, পিরেজপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী রুস্তম, বরগুনা-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শম্ভু, বরগুনা-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী রিমন।

বরিশাল-১ আসনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বিজয়ী :
শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর সুষ্ঠ পরিবেশে উৎসব মুখর পরিবেশে জনগনের স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহনের মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রবিবার সকাল আটটায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে বিরতিহীন ভাবে কোন রকম বিশৃংখলা ও সহিংসতা ছাড়াই বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহন। আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৫০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১লাখ ১২হাজার ১শ ৮৫জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৬১৪৫জন ও মহিলা ভোটার ৫৬০৪০ জন। বরিশাল-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৫৭হাজার ২২০জন। ভোট কেন্দ্রের যাতায়াতের পথে সেনা, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যদের টহল ছাড়াও কেন্দ্রে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তায় সংখ্যালঘু ভোটারসহ সর্বস্তরের ভোটাররা কনকনে শীত উপেক্ষা করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস নির্বাচনী নিয়ন্ত্রন কক্ষ থেকে ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে জানা গেছে, ৫০টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯হাজার ৪শ ৬২ভোট, দ্বিতীয় অবস্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী রাসেল সরদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪শ ৮ ভোট, বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২শ ৬ ভোট ও জাকের পার্টির প্রার্থী বাদশা মিয়া (মুন্সি) গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৬ ভোট। নির্বাচনে ৮০দশমিক ৩৫ভাগ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। অপর দিকে গৌরনদী উপজেলার ১১৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১২টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে নৌকা ২৩৪৪৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দি হাত পাখা পেয়েছে ১৪৮ ভোট ও ধানের শীষ ৮১ ভোট।

বরিশাল-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শাহে আলম :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২(বানারীপাড়া-উজিরপুর) আ্সনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলম নৌকা প্রতিকে রেকর্ড সংখ্যক ২ লাখ ১২ হাজার ৫শত ১১ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে অভূতপূর্ব বিজয় অর্জণ করেছেন। স্বাধীনতার পরে এর আগে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার মতো এতো রেকর্ড সংখ্যক ভোট কেউ কখনও পায়নি। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি বিএনপি প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু । এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২ হাজার ৫৭১ জন। নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। বৃদ্ধ ও তরুন ভোটাররাও ছিলো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক। নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বরিশাল-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী গোলাম কিবরিয়া টিপু:
বরিশাল-৩ আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীকে গোলাম কিবরিয়া টিপু পেয়েছেন ৫৪৫৬৫ ভোট। বিএনপির প্রার্থী এ্যাড. জয়নুল আবেদিন পেয়েছেন ৪৭২৩৫ ভোট এবং নৌকা প্রতীকের শেখ মো:টিপু সুলতান পেয়েছে ১৮১৯৬ ভোট। এখানে কেন্দ্র সংখ্যা ১২৩টি।

বরিশাল-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী পংকজ নাথ বিপুল ভোটে দ্বিতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত :
বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে নৌকার প্রার্থী পংকজ নাথ বিপুল ভোটে দ্বিতীয় বারের মত বেসরকারি ফলাফলে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে ভরাডুবি ঘটেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জে.এম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীরের। দুই উপজেলা, ২১টি ইউনিয়ন, ৩টি থানা, ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনে ১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৩টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান এমপি কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক পংকজ নাথ প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে ২,৩০,৬৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিপুল ভোটের ব্যবদানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীকে পরাজিত করেণ। ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত জে.এম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৮,৯৩৫ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল করীম কাসেমী পেয়েছেন ৭,৫৯৭ ভোট। নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করেণ। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠ করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভোট কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি স্টাইকিং ফোর্স হিসাবে সেনা সদস্যরা টহল দেয়। কোন প্রকার সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এদিকে এই আসনের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী জে.এম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর দুপুর আনুমানিক ১টার সময় ভোট বর্জন করার সংবাদ পাওয়া গেছে। এদিকে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলে। বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন এবং শতস্ফুর্তভাবে উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নৌকা মার্কার প্রার্থী পংকজ নাথ তার ভোটটি প্রদান করেণ পৌরসভার সোনামুখী ২নং ওয়ার্ডের পাতারহাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে। বিজয়ী প্রার্থী পংকজ নাথ তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় প্রিয় হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জবাসীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণ নৌকায় ভোট দিয়েছে।

বরিশাল-৫ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী জাহিদ ফারুক শামীম:
বরিশাল-৫ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম । তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। বরিশাল-৫ আসনে মোট-১১০ টি কেন্দ্রে ২,৪৯,০৪৬ ভোট। এর মধ্যে জাহিদ ফারুক – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ২,১৫,০৮০, মজিবুর রহমান সরওয়ার – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৩১,৩৬২ সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ২৭,০৬২।

বরিশাল-৬ আসনে জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রতনা বিপুল ভোটে বিজয়ী।

ঝালকাঠি-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএইচ হারুন :
ঝালকাঠি-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী বজলুল হক হারুন। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। ঝালকাঠি-১ আসনে মোট-৯০ টি কেন্দ্রে ১৭৮৭৮৫ ভোট। এর মধ্যে বজলুল হক হারুন – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১,৩১,৫২৫ শাহজাহান ওমর – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৬,১৫১।

ঝালকাঠি-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আমির হোসেন আমু:
ঝালকাঠি-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী আমির হোসেন আমু। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। ঝালকাঠি-২ আসনে মোট-১৪৭ টি কেন্দ্রে ২,৯০,৩৩০ ভোট। এর মধ্যে আমির হোসেন আমু – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ২,১৪,৯৩৭ ,জীবা আমিনা খান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৫,৯৮২, সৈয়দ মো: ফয়জুল করিম – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৯,৮১২।

ভোলা-১ সদর আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আসনে আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ আসনে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব:

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- ভোলা-১ সদর আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আসনে আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ আসনে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। রোববার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ভোলা-১ (সদর) আসনে ১১৩টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে নৌকার প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ দুই লাখ ৪২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর সাত হাজার ২২৪ ভোট পেয়েছেন। তোফায়েল আহমেদ এ নিয়ে ৮ বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলেন। ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল পেয়েছেন দুই লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. কুদদুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুকুল দুই বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৫০ হাজার ৪১১ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. মোসলে উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৫৫ ভোট। এখানে বিএনপি প্রার্থী মেজর অব হাফিজ উদ্দিন পেয়েছেন দুই হাজার ৫০২ ভোট। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব পেয়েছেন দুই লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ পেয়েছেন ছয় হাজার ২২২। এখানে বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭ ভোট। এ নিয়ে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের চারজন, বিএনপির চারজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চারজন, জাতীয় পার্টির দুইজন ও সিপিবির এক প্রার্থীসহ মোট ১৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। জেলার ৪৭৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো। সেখানে ভোটার ছিলো ১২ লাখের অধিক। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নারী ও পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। তবে দুপুরের পর কিছুটা ভোটারদের উপস্থিতি কমতে থাকে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালী-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শাহজাহান :
পটুয়াখালী-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী শাহজাহান মিয়া । তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পটুয়াখালী-১ আসনে মোট-১৫৩ টি কেন্দ্রে ৩,৯৩,০৬৬ ভোট। এর মধ্যে শাহজাহান মিয়া – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ২,৭০,৯৭০, আলতাফ হোসেন চৌধুরী – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১০,৩৬৯ আলতাফুর রহমান – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ১৫,১০৩।

পটুয়াখালী-২ আসনে বিজয়ী আ.স.ম ফিরোজ :
পটুয়াখালী-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী আ.স.ম ফিরোজ। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পটুয়াখালী-২ আসনে মোট-১০৮ টি কেন্দ্রে ২,৫১,৮৫৮ ভোট। এর মধ্যে আ স ম ফিরোজ – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ১,৮৫,৭৮৩, সালমা আলম – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৫,৬৬০, নজরুল ইসলাম – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৯,২৬৭।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিজয়ে এস এম শাহাজাদা :
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী এস এম শাহাজাদা । তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পটুয়াখালী-৩ আসনে মোট-১১৮ টি কেন্দ্রে ২,৯৮,৪৯৭ ভোট। এর মধ্যে এস এম শাহাজাদা – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ২,১৫,৫৭৯, গোলাম মাওলা রনি – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৬,১৭৬, কামাল খাঁন – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৬,৮১৪।

পটুয়াখালী-৪ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী মুহিব :
পটুয়াখালী-৪ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী মুহিব্বুর রহমান মুহিব। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পটুয়াখালী-৪ আসনে মোট-১১০ টি কেন্দ্রে ২,৪৯,০৪৬ ভোট। এর মধ্যে মুহিব্বুর রহমান মুহিব – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ১,৮৮,৮১২। এ বি এম মোশারেফ হোসেন – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৬,১৮৫, হাবিবুর রহমান হাওলাদার – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৬,৮০৪।

পিরেজপুর-১ আসনে বিজয়ী শ. ম. রেজাউল করিম :
পিরেজপুর-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী শ. ম. রেজাউল করিম। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পিরেজপুর-১ আসনে মোট-১৯৩ টি কেন্দ্রে ৪,১৮,৯৭৪ ভোট। এর মধ্যে শ. ম. রেজাউল করিম – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী ৩,৩৭,৫৯৪, শামীম সাঈদী – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৯,২৭১।

পিরেজপুর-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী মঞ্জু :
পিরেজপুর-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন । তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পিরেজপুর-২ আসনে মোট-১০৪ টি কেন্দ্রে ২,২০,৫০৮ ভোট। এর মধ্যে মুস্তাফিজুর রহমান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৬,৩৮৪, আনোয়ার হোসেন – জাতীয় পার্টি (জেপি) বিজয়ী ১,৮৯,৪৮৩।
পিরেজপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী রুস্তম :

পিরেজপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী রুস্তম আলী ফরাজী। তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। পিরেজপুর-৩ আসনে মোট-৮১ টি কেন্দ্রে ১,৮৯,৭৬৩ ভোট। এর মধ্যে রুস্তম আলী ফরাজী – জাতীয় পার্টি (জাপা) বিজয়ী ১,৩৫,৩১০, রুহুল আমীন দুলাল – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৭,৬৯৮।
বরগুনা-১ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী শম্ভু :

বরিশাল-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ৪,১৪,৩৮২। মোট কেন্দ্র ১৮০টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। তার প্রাপ্ত ভোট ৩,১৭,৬২২। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির মতিয়ার রহমান তালুকদার পেয়েছেন ১৫,৮৫০ ভোট।
বরগুনা-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী রিমন :

বরগুনা-২ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত হাচানুর রহমান রিমন । তার ধারে কাছে নেই ধানের শীষ বা হাতপাখার প্রার্থী। বরগুনা-২ আসনে মোট-১১২ টি কেন্দ্রে ২,৬৮,৩১৬ ভোট। এর মধ্যে শওকত হাচানুর রহমান রিমন – বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২,০০,৩২৫, খন্দকার মাহবুব হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৯,৫১৮, গোলাম সরোয়ার হিরু – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ৮,০৩০।