শেবাচিমের ডাস্টবিনে ২২ নবজাতক নিয়ে রহস্য!

0
23

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য সংগ্রহের জন্য ফরমালিন দিয়ে রাখা মৃত নবজাতক ফেলে দেয়া হয়।

ওই ফেলে দেয়া নবজাতকদের মরদেহ নিয়ে সোমবার টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, শেবাচিমের গাইনী বিভাগে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য সংগ্রহের জন্য ফরমালিন দিয়ে রাখা হয় ২২টি মৃত নবজাতক। ওই নবজাতক দিয়ে শেবামেকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস করা হয়। গতকাল সকালে শেবাচিমের গাইনি বিভাগের চিকিৎসকরা দেখেন ফরমালিন দিয়ে বয়ুম ভর্তি নবজাতক দিয়ে ক্লাস করা আর সম্ভব নয়।

তাই তারা ওই বয়ুমসহ ২২টি নবজাতক পানির ট্যাঙ্ক সংলগ্ন ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্লাস্টিক টোকানো পথশিশুরা ২২টি বয়ুম থেকে মৃত নবজাতদের বের করে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। এর পরই শুরু হয় আলোচনা। পরবর্তীতে পানির ট্যাঙ্ক সংলগ্ন ডাস্টবিন থেকে অন্তত ২২টি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালের এক ওয়ার্ড মাস্টার জানিয়েছেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ব্যবহারিক কাজে এসব মরদেহ সংরক্ষণ করার কথা। উদ্ধার করা নবজাতকের মরদেহের সংখ্যা ২২ এর অধিক হতে পারে।

অন্যদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা জানিয়েছেন, মরদেহগুলো কোথা থেকে এসেছে তার হদিস জানেন না তারা। তবে মরদেহের সংখ্যা ২০ এর অধিক হতে পারে।

তবে এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন বলেন, ইন্টার্নী চিকিৎসকদের ব্যবহারিক কাজে এসব মরদেহ সংরক্ষণ করার হয়। পরে ফেলে দেয়া হয়।