সমাজ গড়ার কারিগর অক্সফোর্ড মিশনের প্রাইমারি স্কুলের সাধু ফাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্রান্সিস এসপিবি

0
8

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল নগরীর অক্সফোর্ড মিশনের প্রাইমারি স্কুলের সাধু ফাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্রান্সিস এসপিবি যিনি সমাজ, মন্ডলী ও দেশের এক অনন্য মডেল। যিনি মানুষ গড়ার কারিগর। তিনি যে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা পান তা সবই দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে দান করেন। তিনি সমাজ গড়ার কারিগর হওয়ায় কিছু দুবৃত্তরা তকে ঘায়েল করতে উঠে পরে লেগেছে। তাকে সামাজিক ভাবে হয়রানি করতে বিভিন্ন মহলে তার বিরুদ্ধ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে সে বিষয়ে সাধু ফাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্রান্সিস এসপিবিকে কোন ভাবেই অপপ্রচার নাটকে ফাঁসাতে সফল হতে পারবে না দুবৃত্তরা বলে জানিয়েছেন তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষার্থীরা। হাইস্কুলের মতো প্রাইমারিরও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন ডেপুটি মডারেটর বিশপ সৌরভ ফলিয়া। সম্প্রতি তিনি প্রাইমারির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পরই স্কুলের ফান্ড থেকে ২২ লাখ টাকা উঠান ফাদার ফ্রান্সিস। এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মেরি রায় বলেন, স্কুলের ফান্ড থেকে টাকা উঠানো হলেও তা স্কুলের জন্য ব্যয় করা হয়নি। এদিকে গত ২৮/০৯/১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত অক্সফোর্ড মিশনের (প্রধান কমিটি) ম্যানেজমেন্ট কমিটির মিটিং এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় যে চার্চের কোন প্রতিষ্ঠানের কোন স্টাফ পি,এফ এবং গ্রাচুয়েটির উভয়-ই সুবিধা পেতে পারবেন না।

তাই হাই স্কুলেও একই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।( অক্সফোর্ড মিশন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুলের সভাপতি একই ব্যাক্তি) যেখানে স্কুলের প্রধান শিক্ষক উভয় কমিটির সদস্য। একই সাথে সাধু ফাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্রান্সিস এসপিবি চার্চের সকল কমিটির উপদেষ্টা।

তবে ফাদার জন এসপিবি বলেন, হাইস্কুলের মতোই প্রাইমারির টাকাও জেনারেল ফান্ড করার জন্য উঠানো হয়েছে। এটা ম্যানেজিং কমিটি পাস করেছে। তিনি আরও বলেন, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে মালয়েশিয়ায় এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দুই বছর পর ইংল্যান্ড থেকে টাকা দেয়া হবে না। তাই একটি জেনারেল ফান্ড গঠন করা হচ্ছে। এই ফান্ডেই টাকা রাখা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।