পবিপ্রবিতে সম্পন্ন হলো ‘দি কোস্টাল ভেট সোসাইটি বাংলাদেশ’-এর সপ্তম বার্ষিক সম্মেলন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি)বাংলাদেশ’-এর সপ্তম বার্ষিক কনফারেন্স ‘দি কোস্টাল ভেট সোসাইটি অনুষ্ঠিত হয় ।
আজ ২৫ অক্টোবর (শনিবার ) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।
“Strengthening Coastal Resilience through Veterinary Interventions”—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, জলবায়ু সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন, রোগ প্রতিরোধ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নানা গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান,ট্রেজারার অধ্যাপক মো: আবদুল লতিফ, এনএসভিএম অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, বরিশাল বিভাগের জেলা লাইভস্ট অফিসার ড. মো: মোস্তাফিজুর রহমান এবং এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্ট মো: জাকির হোসেন মহিন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড মো: আহসানুর রেজা।
দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের প্রথম অংশে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন,“বাংলাদেশের উপকূল কেবল ভৌগোলিক সীমানা নয়, এটি আমাদের জাতীয় জীবনের প্রাণস্পন্দন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ এখন বড় চ্যালেঞ্জে। এই সংকট মোকাবেলায় ভেটেরিনারি বিজ্ঞানীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “এই সম্মেলন ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন যাত্রা। প্রাণিসম্পদ খাত শুধু খাদ্য নিরাপত্তার নয়—এটি জাতীয় অর্থনীতির হৃদস্পন্দন। সমন্বিত গবেষণার মাধ্যমেই আমরা উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য ও প্রাণিসম্পদ সুরক্ষায় সফল হতে পারব।”
পরবর্তী পর্বে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রায় দুই শতাধিক গবেষক, শিক্ষক ও পেশাজীবীরা প্রাণিস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ও ভ্যাক্সিনেশন বিষয়ে ওরাল ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী প্রাণবন্ত আলোচনা, গবেষণামূলক উপস্থাপনা ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ কনফারেন্সটি উপকূলীয় প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে নতুন দিকনির্দেশনা ও অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে ওঠে।
একে












